কাকিমার গোপন তৃষ্ণা"

 "কাকিমার গোপন তৃষ্ণা"




মুধুপুর গ্রমের ছেলে রঞ্জন। রঞ্জন, ২২ বছরের এক তরুণ।তার কাকিমা মালতি, ৩৫ বছরের এক বিধবা নারী। মালতির গায়ের রঙ মাটির মতো মায়াবী, চোখে গভীরতা, আর শরীরে যৌবনের ঢেউ এখনো টলটল করছে। তার ৩৮ ডি সাইজের দুধ শাড়ির আড়ালে ঠেলে ওঠে, আর ৪০ ইঞ্চির গোল পাছা হাঁটার তালে দুলে। 


রঞ্জন প্রতিদিন কাকিমার দিকে তাকিয়ে মনে মনে জ্বলে। তার ধন ঠাটিয়ে ওঠে, কিন্তু মুখে কিছু বলতে পারে না।


এক সকালে মালতি কলতলায় কাপড় ধুচ্ছে। পাতলা লাল শাড়ি ভিজে তার শরীরে লেপ্টে গেছে। দুধের বোঁটা স্পষ্ট, পাছার গোলাকার ভাঁজ ফুটে উঠেছে। রঞ্জন উঠোনে দাঁড়িয়ে দেখছে, তার চোখে কামনার আগুন। 

"কাকিমা, তুমি এত সুন্দর কী করে?" বলে কাছে যায়। মালতি ভ্রু কুঁচকে তাকায়, "কী বাজে কথা রঞ্জন! আমি তোর কাকিমা, লজ্জা করে না?" রঞ্জন হাসে, "লজ্জা কীসের? তুমি যখন কাছে থাকো, আমার শরীর জ্বলে।"মালতি বলে, "ধ্যাত কি বলিস আমিও তো বুড়ি হয়ে গেছি।" কিন্তু রঞ্জন আরো কাছে যায়।

 তার হাত মালতির কোমরে পড়ে, নরম মাংসের ছোঁয়ায় রঞ্জনের ধন শক্ত হয়ে যায়।রঞ্জন তার ৩৮ সাইজের দুধে হাত দিয়ে টিপে দেয়। "উমমম," মালতির মুখ থেকে আওয়াজ বেরিয়ে যায়। দুধের নরম ভাঁজে রঞ্জনের আঙুল ডুবে যায়, বোঁটা শক্ত হয়ে ওঠে। মালতি ধাক্কা দিয়ে চলে গেল।

রঞ্জন দাঁড়িয়ে থাকে, তার চোখে মালতির পাছার দুলুনি। শাড়ির ভেতর দিয়ে ৪০ ইঞ্চির পাছা টাইট হয়ে দোলছে, যেন ডাকছে। 




ধানখেতের পাশে বাঁশঝাড়ের ছায়ায় দুপুরের নিস্তব্ধতা। মালতি একা বাড়ি ফিরছে, তার শাড়ি ঘামে ভিজে দুধের আকৃতি ফুটে উঠেছে। বোঁটা শক্ত হয়ে শাড়ি ঠেলছে। রঞ্জন পিছনে লুকিয়ে দেখছে, তার ধন ঠাটিয়ে শক্ত। "কাকিমা, তুমি আমায় পাগল করে দিচ্ছো," বলে সে বাঁশঝাড়ের আড়ালে মালতির হাত ধরে টানে।

 মালতি চমকে ওঠে, "আহহ, কী করছিস! ছাড়!" কিন্তু রঞ্জন তার কোমর জড়িয়ে ধরে।"কাকিমা, আর লুকিয়ে কী হবে? তুমি আমায় চাও," বলে রঞ্জন মালতির দুধে হাত দেয়। নরম দুধ চটকে দেয়, বোঁটা মুচড়ে দেয়। "আহহ, রঞ্জন! এটা ঠিক না!" মালতি কেঁপে ওঠে, কিন্তু তার গুদে জল জমছে। রঞ্জন শাড়ি তুলে মালতির গুদে হাত দেয়। 

"উমমম, কাকিমা, তুমি ভিজে গেছো!" মালতি লজ্জায় মুখ ফিরিয়ে বলে, "আহহ, থাম!" কিন্তু রঞ্জন হাঁটু গেড়ে বসে, মালতির গুদে মুখ দেয়।জিভ দিয়ে চুষতে শুরু করে, "আহহ, কী করছিস!" মালতি চেঁচায়। রঞ্জন গুদের ভেতর জিভ ঢুকিয়ে চাটে, "উমমম, কাকিমা, তোমার রস মিষ্টি।" মালতির পা কাঁপছে, গুদ থেকে জল ঝরছে। "আহহ, না! উমমম," মালতি হাত দিয়ে রঞ্জনের মাথা ঠেলে দেয়, কিন্তু শরীর জ্বলছে।

 মালতি ধাক্কা দিয়ে সরে যায়, "পাগল হয়ে গপছিস লোকে দেখলে কি হবে জানিস?" কাপড় ফেলে ঘরে চলে যায়।

পিছন থেকে চিল্লিয়ে বলে-"রাত ১০ টায় বাড়ির পিছনে বাঁশঝাড়ে অপেক্ষা করব।"


রাতে মালতি ঘরে শুয়ে অস্থির। রঞ্জনের ছোয়া দুধে তার ছোঁয়া। "আহহ, আমি যাব নাকি?" বলে হাত গুদে দেয়। আঙুল ঢুকিয়ে ঘষে, "উমমম," জল খসে যায়। তার শরীর জ্বলছে, মন বলছে এটা পাপ, কিন্তু গুদ বলছে আরো চাই।

সব ভুলে সে আস্তে আস্তে বাড়ির পিছনে বাঁশঝাড়ের দিকে গেল।



রঞ্জন মালতিকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরে বলে" আমি জানি তুমি আসবে?"

মালতি কেঁপে ওঠে, কিন্তু তার গুদে জল জমছে। রঞ্জন শাড়ি তুলে মালতির গুদে হাত দেয়। 

"উমমম, কাকিমা, তোমার নিচে ভিজে একাকার হয়ে গেছো!" 

মালতি লজ্জায় মুখ ফিরিয়ে বলে, "আহহ, থাম!" কিন্তু রঞ্জন হাঁটু গেড়ে বসে, মালতির গুদে মুখ দেয়।জিভ দিয়ে চুষতে শুরু করে, "আহহ, কী করছিস!" মালতি চেঁচায়।


 রঞ্জন গুদের ভেতর জিভ ঢুকিয়ে চাটে, "উমমম, কাকিমা, তোমার রস মিষ্টি।" মালতির পা কাঁপছে, গুদ থেকে জল ঝরছে। "আহহ, না! উমমম," মালতি হাত দিয়ে রঞ্জনের মাথা চেপে ধরে, কিন্তু শরীর জ্বলছে।

 রঞ্জন উঠে মালতির শাড়ি খুলে দেয়। তার দুধ বেরিয়ে পড়ে, গোলাপি বোঁটা শক্ত হয়ে ঠাটিয়ে আছে। সে দুধে মুখ দেয়, চুষতে থাকে। "আহহ, রঞ্জন!" মালতি কাঁপে।রঞ্জন একটা দুধ চুষছে, আরেকটা টিপছে। "উমমম, কাকিমা, তোমার দুধ এত নরম!" 

মালতির গুদ থেকে জল গড়িয়ে পড়ছে, "আহহ, আরো চোষ!" কিন্তু রঞ্জন থামে না। 

সে মালতির পাছায় হাত দেয়, ৪০ ইঞ্চির গোল পাছা চটকে দেয়। "কাকিমা, তোমার পাছা আমায় ডাকছে," বলে পাছায় চাপড় মারে। "আহহ," মালতির মুখ থেকে আওয়াজ বেরোয়।তার গুদ থেকে জল খসে যায়, "উমমম, রঞ্জন!"


 

 রঞ্জন উঠে ধন বের করে মালতির মুখে দেয়। "চোষো, কাকিমা!" মালতি ধন মুখে নেয়, জিভ দিয়ে চাটে। "আহহ, মজা!" রঞ্জন কাঁপে।

মালতি ধন চুষতে চুষতে বলে, "আহহ, তুই আমায় শেষ করে দিলি!" রঞ্জন তার মাথা ধরে ঠেলে দেয়, "উমমম, আরো জোরে!" মালতি ধন গভীরে নেয়, রঞ্জনের রস মুখে পড়ে। "আহহ," রঞ্জন কেঁপে ওঠে। 



রঞ্জন মালতিকে মাটিতে শুইয়ে দেয়, তার উপর উঠে।"রঞ্জন, না!" মালতি বলে, কিন্তু রঞ্জন তার ধন বের করে মালতির গুদে ঘষে।



মালতি কেঁপে ওঠে, "আহহ, রঞ্জন! আমি আর পারছি না আমাকে শেষ করে ফেল।" রঞ্জন হাসে, "তুমি আমার, কাকিমা।" 


 

। "আহহ, ঢোকা!" মালতি চেঁচায়। রঞ্জন ধন ঢুকিয়ে ঠাপ মারে, "উমমম, কাকিমা!" মালতির দুধ দুলছে, পাছা ঠাপে কাঁপছে। "আহহ, জোরে ঠাপা!" মালতি কামনায় পাগল।রঞ্জন ঠাপের তাল বাড়ায়, গুদের ভেতর ধন গভীরে ঢোকে। "আহহ, উমমম!" মালতির জল আবার খসে, শরীর কাঁপছে। 


রঞ্জন পাছায় হাত দিয়ে চটকে, "কাকিমা, তোমার পাছা দারুণ!" মালতি উপুড় হয়ে বলে, "আহহ, পাছায় ঢোকা!" রঞ্জন পাছায় ধন ঘষে, ধীরে ঢুকিয়ে ঠাপ মারে। "আহহ, উমমম!" মালতির পাছা দুলছে, ঠাপের তালে চপচপ শব্দ। "কাকিমা, তুমি আমার সব!" রঞ্জন জোরে ঠাপায়।মালতি কাঁপতে কাঁপতে বলে, "আহহ, আরো জোরে!" তার গুদ থেকে জল ঝরছে, পাছা ঠাপে লাল হয়ে গেছে।


 রঞ্জন দুধ টিপে, "উমমম, কাকিমা!" ঠাপের তালে বিছানা কাঁপছে। মালতি চেঁচায়, "আহহ, আমি শেষ!" তার জল খসে যায়, শরীর নেতিয়ে পড়ে।


 রঞ্জনও আর ধরে রাখতে পারে না, "কাকিমা, আমি এলাম!" বলে পাছায় রস ছাড়ে। "আহহ," দুজনে হাঁপাতে শুয়ে থাকে।বৃষ্টি থেমে গেছে। মালতি রঞ্জনের বুকে মাথা রেখে বলে, "এটা আমাদের গোপন থাকবে।" রঞ্জন হাসে"কাকিমা, তুমি আমার চিরকাল।" তারা জড়িয়ে শুয়ে থাকে, নিষিদ্ধ তৃষ্ণার আগুন নিভে গেছে। 


 "আহহ, তুই আমার শান্তি," মালতি ফিসফিস করে। রঞ্জন তার দুধ টিপে, "উমমম, তুমিও আমার।"


পরদিন থেকে তাদের নিষিদ্ধ সম্পর্ক গ্রামের সবুজের মাঝে লুকিয়ে থাকে, চিরকালের জন্য।

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url